হঠাৎ ঝড়ে দুই উইকেট নেই বাংলাদেশের!

হঠাৎ ঝড়ে দুই উইকেট নেই বাংলাদেশের!


ফটো-সংগৃহীত

স্পোর্টস ডেস্কঃ শ্রীলঙ্কার ৪৯৩ রানে ইনিংস ঘোষণার জবাবে খেলতে নেমে তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনের প্রায় পুরোটাই দারুণ খেলল বাংলাদেশ। তবে শেষটা ভালো হলো না। তামিমের ঝোড়ো অর্ধশতকের পর মধ্যাহ্ন বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে সাইফ হাসান (২৫) আর নাজমুল হোসেন শান্ত (০) রানে ফিরলে পাল্টে যায় দৃশ্যপট। ক্যান্ডি টেস্টের তৃতীয় দিনের লাঞ্চ বিরতির আগে উল্টো চাপে বাংলাদেশ!

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৭ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৯৯ রান। এর মধ্য তামিমের একারই রান ৭০।

লঙ্কানদের বিপক্ষে দুর্দান্ত সিরিজ কাটছে তামিম ইকবালের। সিরিজের প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসেই ঝোড়ো অর্ধশতক তুলে নিয়েছিলেন তিনি। আর প্রথম টেস্টের সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসেও দেখা পেলেন অর্ধশতকের। পাল্লেকেলেতে টানা তৃতীয় অর্ধশতক তুলতে তামিম খেলেন মাত্র ৫৭টি বল। এ সিরিজের তিন ইনিংস ও এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ইনিংস মিলিয়ে টানা চার ইনিংসে পঞ্চাশ পেরুলেন তিনি।

ক্যান্ডির পাল্লেকেলেতে দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে ৭ উইকেটে ৪৯৩ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে লঙ্কানরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই লঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হন তামিম ইকবাল।

আজ তৃতীয় দিন মাত্র ১৫ মিনিট ব্যাটিং করেই ইনিংস ঘোষণার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে স্বাগতিকরা। তাসকিন আহমেদের বোলিংয়ে মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ক্যাচে আগের দিনের অবিচ্ছিন্ন জুটি ভাঙতেই ৪৯৩ রানে ব্যাটিং ছেড়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

বৃষ্টির কারণে তৃতীয় দিন প্রায় দেড় ঘণ্টা খেলা হয়নি। ফলে আজ ১৫ মিনিট আগে শুরু হয় চতুর্থ দিনের খেলা। এই ১৫ মিনিটের মধ্যে ৩.৩ ওভার ব্যাটিং করে ২৪ রান যোগ করে শ্রীলঙ্কা, হারায় রমেশ মেন্ডিসের উইকেট। সবমিলিয়ে প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৪৯৩ রান।

জবাবে খেলতে নেমে টানা তৃতীয়বারের মতো ইনিংসের প্রথম ওভারেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শুরু করেন তামিম, বুঝিয়ে দেন চেপে বসতে দেবেন না বোলারদের। আগের ম্যাচের আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু থেকেই লঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন তিনি।

তামিমের সাবলীল ব্যাটিংয়ে সাহস পান প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হওয়া সাইফ হাসানও। দুজনের ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে ১৩ ওভারেই চলে আসে জুটির ৫০ রান। যেখানে তামিমের অবদানই ছিল ৪১ রান। রান কম করলেও, প্রথম ম্যাচের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করছিলেন সাইফ।

রমেশ মেন্ডিসের করা ইনিংসের ১৫তম ওভারের প্রথম দুই বলে জোড়া বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৪৯ রানে পৌঁছে যান তামিম। সেই ওভারের পঞ্চম বলে ১ রান নিয়ে পূরণ করেন ক্যারিয়ারের ৩১তম হাফসেঞ্চুরি। যেখানে ছিল ৮টি চারের। এটি তামিমের টানা চতুর্থ ইনিংসে হাফসেঞ্চুরির কীর্তি।

তবে তামিমের জন্য এটিই প্রথম টানা চার ইনিংসে ফিফটি নয়। ২০১০ সালে টানা পাঁচ ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ্ব রান করার নজির রয়েছে তামিমের। সেবার শেষের দুইটি ইনিংস ছিল সেঞ্চুরি। এবারও প্রথম তিন পঞ্চাশের ইনিংসে সেঞ্চুরি পাননি তামিম। তার ব্যাট থেকে পরের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির আশাই থাকবে বাংলাদেশ দলের।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2021 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »