শিরোনামঃ
নরসিংদীতে জেলা কারাগারে ২৫০০ টাকায় মিলে ১ কেজি গরুর মাংস চরম ভোগান্তিতে আসামীরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার নিয়ে কিছু কথা আজ দেবীর বোধন কাল মহাষষ্ঠী রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউপি নির্বাচন পরবর্তি সহিংসতায় প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা আহত-৫ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম নির্মিত শহীদ মিনার বৌমার সন্তান না হওয়ায় নিজেই গর্ভবতী হলেন শাশুড়ি! যশোরের ঝিকরগাছায় মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত অগ্নিবীণা ক্রীড়া ও যুব সংঘের পক্ষ থেকে আবু নাইম ইকবালকে ফুলেল শুভেচ্ছা এসআই আকবরকে পালাতে সহায়তা করায় এসআই হাসান বরখাস্ত হালদায় ৯ কেজি ওজনের আঘাতপ্রাপ্ত মৃত মা মাছ উদ্ধার
যতই শীত বাড়ছে সোনারগাঁয়ে বিভিন্ন স্থানে ভাপা

যতই শীত বাড়ছে সোনারগাঁয়ে বিভিন্ন স্থানে ভাপা পিঠা বিক্রির ততই ধুম পড়ছে


কামাল হোসেন,বার্তা কক্ষঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ছোট বড় প্রায় সব বাজারেই শীতের শুরুতেই মৌসুমি পিঠা ব্যবসায়ীরা পিঠা তৈরি ও বিক্রি শুরু করেছেন। উপজেলায় সর্বত্রই পিঠা ব্যবসায়ীদের চোখে পরে। শীতকাল মানেই পিঠা-পার্বণ। এ দেশ পিঠার দেশ। নানা রকম পিঠার বৈচিত্র্য এদেশে লক্ষ্য করা যায়। শীতকালে অন্যসব পিঠার মধ্যে জনপ্রিয় পিঠার নাম হলো ‘ভাপা পিঠা। চাউলের গুড়ো আর পাঁটালি গুড় দিয়ে স্বুস্বাদু এই পিঠা তৈরি করা হয়। শীতের সকালে ভাপা পিঠার সাথে অন্য কোনো পিঠার তুলনা চলে না। প্রতিদিন কাকডাকা ভোর থেকেই পিঠা তৈরির কার্যক্রম শুরু হয়। উপজেলার প্রায় শতাধিক ব্যবসায়ীকে পিঠা বিক্রি করতে দেখা যায়। সূর্য ওঠার আগ থেকে শুরু করে সকাল নয়টা পর্যন্ত এবং বিকেল পাঁচটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত পিঠা তৈরি করতে দেখা যায়। ইন্তা নামে একজন পিঠা ব্যবসায়ী জানান, তিনি প্রতিদিন দুই বেলা মিলিয়ে প্রায় ত্রিশ কেজি চাউলের গুড়া প্রয়োজন হয়। সেই সাথে প্রয়োজনমতো পাঁটালি গুড়। দুই ধরনের চাল দিয়ে পিঠা তৈরি হয়। সাদা এবং লাল। তবে গুড় মেশানো পিঠার চাহিদাই বেশি। পিঠার দাম পাঁচ থেকে দশ টাকা। পুরো শীতের মৌসুমেই চলবে এই পিঠা বিক্রি। বাজারের পিঠা ব্যবসায়ী সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আমি প্রতিদিন সকালে প্রায় আট থেকে দশ কেজি চাউলের গুড়ার পিঠা বানিয়ে এক হাজার থেকে ১১শত টাকা বিক্রি করি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »