মেহেরপুরের সূর্যমুখির ফুলে ভরে গেছে খামারের জমি:

মেহেরপুরের সূর্যমুখির ফুলে ভরে গেছে খামারের জমি: ছবি তুলে মানুষ প্রায় সময় ভিড় জমায়


ফটো-হাফিজুর রহমান

স্টাফ রিপোর্টার: মেহেরপুর সদর উপজেলা আমঝুপি ইউনিয়নের চাহিদা মেটানোর উদ্দেশ্যে সূর্যমুখীর চাষ করেছে মেহেরপুরের আমঝুপি বীজ উৎপাদন খামার। সেখানে বীজ উৎপাদনের জন্য ২১ বিঘা জমিতে চাষ হচ্ছে সূর্যমূখির। সূর্যমুখির ফুলে ভরে গেছে খামারের জমি।

মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কের পাশে আমঝুপি বীজ উৎপাদন খামারে সূর্যমুখি ফুল দৃষ্টি কেড়েছে সব বয়সী মানুষের। দৃষ্টিকাড়া ফুলের মধ্যে কেউ সেলফি, কেউ স্বজন নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত ছবি তুলতে ভিড় করছে। কেউ যেন ফুল না ছেড়ে সেজন্য সেখানে লোকবল নিয়োগ করতে হয়েছে।

খামারে চাষ করা সূর্যমূখি ফুলের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হলে গত দিন পনের থেকে সেখানে উপচে পড়ছে মানুষের ভীড়। ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে ছুটে আসছে মানুষ।

বিভিন্ন বয়সের মানুষকে সামলাতে বেগ পোহাতে হতে হচ্ছে খামারের লোকজনকে। অনেকেই গাছ ভেঙ্গে জমির মাঝে চলে যাচ্ছে ছবি তুলতে। তাতে গাছের ক্ষতি হলো কি না দেখছে না।

ছবি তুলতে আসায সন্ধ্যা জানান, ‘ফেসবুকে ফুলের দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়ে ছবি তুলতে এসেছি।ফুলে-ফুলে ভরপুর এমন দৃশ্য আর আমঝুপি বীজ উৎপাদন খামারে স্বপরিবারে বিনোদনের একটি জায়গাও বটে।

এখানে এসে সারাদিনের ক্লান্তি যেন ভুলে গেছি।’ আমঝুপি বীজ উৎপাদন খামারের কেয়ার টেকার আমিরুল ইসলাম জানান, ফুল ফোটার পর ফেসবুকে ভাইরাল হলে মানুষের ভীড় বাড়তে থাকে। কাউকে আটকানো যাচ্ছেনা। খামারের মুল গেটে তালা লাগানোর পর প্রাচির টপকে মানুষ ভেতরে প্রবেশ করছে।

বাধ্য হয়ে গেট খুলে দিয়ে লাঠি হাতে নিয়ে প্রতিরোধ করাতে হচ্ছে। খামারের উপ-পরিচালক মামুনুর রসিদ জানান, ‘বীজের জন্য খামারে প্রতিবছরই কমবেশী সুর্যমূখীর চাষ করা হয়।

এবার ২১ বিঘা জমিতে চাষ করা হয়েছে। পুরোমাঠ জুড়ে ফুলে ফুলে ভরে যাওয়াতে দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ তৈরী হয়েছে। এখন সব শ্রেণির মানুষ ফটো তোলার জন্য ভীড় করছে। মানুষের উপস্থিতি ভালো লাগছে।

কিন্তু কিছু নারী পুরুষ গাছ দুমড়ে-মুচড়ে ভেতরে গিয়ে ছবি তুলছে। যা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ লোকবল দিয়েও জমির মাঝে যাওয়া ঠেকানো যাচ্ছেনা বলে জানান।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2021 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »