শিরোনামঃ
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আহমেদ হোসেন আর নেই ফুলপুরে মাস্ক না পড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা সোনারগাঁওয়ে পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ঝরার নির্বাচনী প্রচারনা ও লিফলেট বিতরণ গণমাধ্যমকর্মীরা করোনাকালের নির্ভীক যোদ্ধা: তথ্যমন্ত্রী মূর্তি ও ভাস্কর্যের বিরোধ সৃষ্টি ষড়যন্ত্রের অংশ: এম এ আউয়াল মঙ্গলবার থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু বাইডেন ২৪ নভেম্বর নতুন মন্ত্রী পরিষদের নাম ঘোষণা করবেন পুরনো রোলেই পরের শ্রেণিতে উঠবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা নাইজেরিয়ায় মসজিদে গুলিতে নিহত ৫, ইমামসহ ৪০ জনকে অপহরণ আপনাদের সহযোগিতায় ছোট্ট মেয়ে শিশুটি পেয়ে যেতে পারে তার পরিবার
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি


দেশের গর্জন ফটো

স্টাফ রিপোর্টার,নীলফামারী: প্রাপকঃ প্রিয় নেত্রী, জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিষয়ঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর ভাষা সৈনিক খয়রাত হোসেনের পরিবারকে (নাতীর) চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান প্রসঙ্গে। প্রিয় মমতাময়ী নেত্রী,সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি নিম্ম সাক্ষারকারী ইমরান বিন হাসনাত, পিতা-হাসনাত বিন খয়রাত, মাতা-ওয়াহিদা হাসনাত, গ্রাম-খয়রাত হোসেন সড়ক, থানা ও জেলা-নীলফামারী সদর নীলফামারী এর একজন স্থায়ী বাসিন্দা। কয়েক মাস যাবত আমি কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কিডনি বিভাগে ২ তলায় ৪০ নং ওয়ার্ডের ৯ নং বেডে   চিকিৎসাধীন রয়েছি।আমার ২ টি কিডনি কাজ করছেনা জন্য ডায়ালসিস নিতে হচ্ছে। আপনি জানেন যে এই চিকিৎসা অত্যান্ত ব্যয়বহুল। আমার কিডনি সংস্থাপন করতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার দরকার। উল্লেখ করছি যে, আমি বাংলাদেশ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের  ঘনিষ্ঠ সহচর ভাষা  সৈনিক খয়রাত হোসেনের পরিবারের সদস্য। দাদা বেঁচে থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের বাসায় আসতেন এবং রাজনৈতিক মিটিং করতেন।দাদা আজীবন দেশ ও দশের জন্য সেবা করে গেছেন।১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনে এবং ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে দাদার অবদান অনস্বীকার্য ও চীরস্বরনীয়। দাদা তৎকালীন নীলফামারী মহকুমায় বাইসাইকেল এবং গরুর গাড়ির মাধ্যমে অক্লান্ত পরিশ্রম করে আওয়ামিলীগের প্রতিটি থানা কমিটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং কৃষি,খাদ্য,মৎস্য ও পশুপালন দপ্তরের একজন সফল মন্ত্রী ছিলেন কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত শুরু থেকেই  আমাদের আর্থিক অবস্থা অসচ্ছল এবং আমরা মানবেতরভাবে জীবনযাপন করছি। আমাদের পরিবারকে প্রথম থেকে ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে, যার কারনে আপনি আমাদের ব্যপারে অবগত নন। আমাদের বাবা-চাচাদের-আমাকে রাজনীতি করতে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে ধংশের দিকে নিঃচিন্হ খয়রাত হোসেনের এই অবহেলিত পরিবার। আমরা কয়েকবছর যাবত আপনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়েছি। ব্যারিসটার বিপ্লব বড়ুয়া,মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান সাহেব-পি,এস-২  ওয়াহিদা ম্যডামকে বলেছিলেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করায় দেওয়ার জন্য, লিকু সাহেব, এমপি মাশরাফি সাহেবের ভাইকেও কয়েকবার অবগত করা হয়। আমার সাথে মুঠোফোনে এদের সবার এসএমএস ও কথা আদান-প্রদান হয়।কিন্তু হয়তো কোনো রাজনৈতিক মহলের প্রভাবে বছরের পরে বছর আমাদের পরিবারকে ধামাচাপা দিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু বছরের পর বছর আমাদের চেষ্টা করে কোন লাভ হয়নি। আমাদের পরিবারকে কেউ কোন সরকারি চাকুরীর সুযোগ করে দেয়নি। আপনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎের জন্য বর্তমান জেলা প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান চৌধুরী সাহেবকে কয়েকবার অবগত করেছি।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিভিন্ন স্থানে দৃষ্টি আকর্ষণ করে আপনাকে শতশত চিঠি প্রেরন করেছি। আজ আমি মৃত্যুর মুখে। আপনার সহযোগিতা পেলে আমার উন্নত চিকিৎসার হয়তো সম্ভব হবে।এমতাবস্থায়, আমার জীবন রক্ষার্থে আপনার সহযোগিতা পেলে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  , আপনার কাছে প্রার্থনা যে, উল্লেখ্য বিষয় বিবেচনা পূর্বক চিকিৎসার জন্য আমাকে আর্থিক সহযোগীতা প্রদানে আপনার সদয় দৃষ্টি ও সহানুভূতি কামনা করছি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »