শিরোনামঃ
কওমী মাদরাসা লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি হেফাজতের টাঙ্গাইলে দুই সন্তানের জননী মল্লিকা বেগমের আত্মহত্যা নরসিংদীতে করোনা মোকাবেলায় সংবাদকর্মী রুদ্র এর পক্ষ থেকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ জনকণ্ঠ ভবনের মূল ফটকে তালা, ভবনের সামনের রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন সাংবাদিকরা শার্শায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার খামখেয়ালীপোনায় ২য় ডোজ টিকা নিয়ে বিপাকে ভূক্তভোগীরা বার্সাকে হারিয়ে শীর্ষে রিয়াল চলমান করোনা নিষেধাজ্ঞা ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে মিয়ানমারের বাগো শহরে সামরিক বাহিনীর গুলিতে নিহত ৮০ ছাড়িয়েছে গজারিয়ায় জাটকাবাহী ট্রলার ও জাটকা সহ ৪ জন আটক, কারাদণ্ড করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেননি খালেদা জিয়া
বাণিজ্যিক ভাবে ড্রাগন ফলের বাগান তৈরি বাংলাদেশের জনপ্রিয়

বাণিজ্যিক ভাবে ড্রাগন ফলের বাগান তৈরি বাংলাদেশের জনপ্রিয়


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশের মাটিতে ধীরে ধীরে ড্রাগন ফল জনপ্রিয় হচ্ছে । ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বাণিজ্যিক ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে উঠেছে । অনেকেই বলে বা জানে যে ড্রাগন ফল আসলে খুব একটা স্বাদ না । আসলে কথাটি সত্যি নয় । ড্রাগন ফলের ভিতর বিভিন্ন প্রকার জাত আছে যা তার জাতের উপর নির্ভর করে  স্বাদ ও আকার কেমন হবে । বাণিজ্যিক ভাবে ড্রাগন বাগান করতে চাইলে কিছু বিষয় জানা গুরুত্বপূর্ণ ।
বাণিজ্যিক ভাবে সবথেকে ভাল মানের ও স্বাদের ড্রাগন হল পিংক রোজ রং এর । যে জাতের ড্রাগন ফল টি কাটলে ভিতরে লাল রং এর মত মেজেন্ডা বা পিংক রং বের হয় এটি সব থেকে ভাল মানের ড্রাগন ফল । একটু লম্বাটে হয় , আবার সঠিক যত্ন না নিলে গোলাকার লম্বা আকার হয় । পিংক রোজ রং এর ড্রাগন টি মে মাস থেকে মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত ফল দেয় । ফল দেওয়ার পরিমাণ নির্ভর করে এলাকার উপর যা ঐ এলাকার আলো ও আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল ।
বাণিজ্যিক ভাবে ড্রাগন ফলের বাগান তৈরি করলে অবশ্যই পিংক রোজ রং এর ড্রাগন জাত পছন্দ করতে হবে এবং সেই সাথে ১০ % সাদা রং এর ড্রাগন ফল এর গাছ লাগাতে হবে । প্রশ্ন আসতে পারে পিংক রোজ বা পিংক রং এর ভিতর সাদা রং এর ড্রাগন ফল কেন নিতে হবে বা লাগাতে হবে ? কৌশলগত বিষয় হল ১০ % সাদা রং এর ড্রাগন গাছ পিংক রোজ এর সাথে লাগালে ফুলের পরা-গায়ন ভাল হয় যা ফল উৎপাদন অধিক হয় ।
ড্রাগন ফলের অনেক গুলো জাত আছে তার ভিতর সাদা রং এর ড্রাগন টি সবথেকে ওষুধ গুনাগুণ বেশি যার ফলে বর্তমান বাংলাদেশের বাজারে অনেক স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ সাদা রং এর ড্রাগন ফল টি বাজার থেকে ক্রয় করে  নিয়মিত ।
পিংক রোজ ড্রাগন ফল গড় ওজন ৫০০-৬০০ গ্রাম । সঠিক পদ্ধতি জেনে যত্ন নিলে ১ কেজি ওজনের একটি ফল তৈরি করা সম্ভব বাংলাদেশের মাটিতে।
ড্রাগন ফল গাছ লাগানোর জন্য মাটি খুব একটি বড় বিষয় না । যেখানে বাণিজ্যিক ড্রাগন ফলের বাগান করতে চান তা যেন বন্যা মুক্ত জমি হয় বা উঁচু জমি হয় । একটি কথা মাথায় রাখতে হবে কোন ভাবেই যেন বর্ষাকালে পানি জমে ড্রাগন ফলে জমি ডুবে না যায় ।  ড্রাগন ফলের গাছের আশে পাশে নালা ডুবে যেয়ে আর পানি স্বাভাবিক ভাবে বের না হতে পেরে আবদ্ধ হয়ে যায় ।
আমাদের কাছ থেকে ১৮ ইঞ্চি বা ১.৫ ফুট থেকে ৩০ ইঞ্চি বা ২.৫ ফুট পুরাতন গাছের কাটিং লাগালে ১.৫ বছর থেকে ২ বছরের ভিতর ভালভাবে বাণিজ্যিক ড্রাগন ফল উৎপাদন করতে পারবেন । আমাদের কাছ থেকে প্রতিটি কাটিং ১০০ টাকা করে ক্রয় করতে পারবেন । বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে চারা পাঠানো যাবে । কুরিয়ার চার্জ অবশ্যই ক্রেতা কে বহন করা লাগবে ।
ড্রাগন ফলের জন্য বাণিজ্যিক বাগান করতে হলে জমিতে কি পরিমাণ গাছ বসাবেন তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভরশীল  ১ নং পয়েন্ট হল নিজস্ব জমিতে গাছ লাগালে গাছ থেকে অন্য গাছের দুরুত্ব ৮ ফুট এবং একটি গাছের লাইন থেকে অন্য গাছের লাইন বা বেড এর দুরুত্ব হল ৬ ফুট ।  ২ নং পয়েন্ট হল ভাড়া-কৃত জমি হলে অধিক ঘন গাছ বসাতে হবে । গাছ থেকে গাছের দুরুত্ব ৬ ফুট এবং গাছের একটি লাইন থেকে অন্য গাছের লাইনের দুরুত্ব হল ৬ ফুট ।
এক একরে ৬৮০ টি গাছ লাগানো যায় । ৩৩ শতক / ১ বিঘাতে ২২৬ টি গাছ লাগানো যায় । ১ শতকে ৬/৭ টি গাছ লাগানো যায় । ড্রাগন ফল গাছ লাগানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন প্রচুর আলো বাতাস পায় ।
আমাদের সরবরাহ করা প্রতিটি কাটিং লাগিয়ে সঠিক পরিচর্যা করলে ১.২- ২ বছরের মাথায় প্রতিটি গাছ থেকে গড়ে ৪/৬ কেজি ড্রাগন ফল পাওয়া যাবে । যার গড় পাইকারি বাজার মূল্যে ৩০০ টাকা ।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2021 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »