শিরোনামঃ
আশুলিয়ায় জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে থানায় অভিযোগ পটিয়ায় কর্ভাডভ্যানের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত ফুলপুরে পূজামণ্ডপের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় আনসার বাহিনীর মোবাইল টিম নরসিংদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলে নিহত নরসিংদীতে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি কসবায় পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মাণে অনিয়ম ভারতের দিল্লিতে নিযুক্ত হাই-কমিশানের প্রতিনিধি দলের বেনাপোল বন্দর পরিদর্শন নরসিংদীর শিবপুরে উপজেলা দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইতিহাসে এই প্রথম নারীদের নেতৃত্বে দূর্গাপূজার আয়োজন যশোরে নরসিংদীর রায়পুরায় ছাত্রলীগ সভাপতির বিরদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ,ভিকটিম উদ্ধার
বাঘারপাড়া ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে স্বেচ্চায় রক্তদান করলেন

বাঘারপাড়া ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে স্বেচ্চায় রক্তদান করলেন শিক্ষার্থী সুমিত বিশ্বাস


ফটো-পরিমল বিশ্বাস

পরিমল বিশ্বাস, বাঘারপাড়া( যশোর) প্রতিনিধিঃ যশোর সদর হাসপাতালে ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় নিজে রক্তদিন অন্য কে রক্তদানে উৎসাহ প্রদান করুন এই স্লোগানকে সামনে রেখে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার সেচ্ছাসেবী সংগঠন বাঘারপাড়া ব্লাড ব্যাংকের সদস্য সুমিত বিশ্বাস এক জন সিজারিয়ান রোগীকে স্বেচ্ছায় 450 মি: লি :লাল ভালবাসা প্রদান করলেন। রক্ত গ্রহিতা যশোর সদর উপজেলার বাসিন্দা। রোগীদের হাহাকার মুছে দিবো রক্তের লালিমায়। দুরত্ব কখনও রক্তদাতাকে থামাতে পারে।এবছর করোনা মহামারির সময় থ্যালাসেমিয়া রোগীদের মতো যেসব রোগীর নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন হয়, তাদের রক্ত পেতে খুবই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বাঘারপাড়া ব্লাড ব্যাংকের সদস্য নাফিজ হোসেন বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় স্বাভাবিক রক্ত সংগ্রহ ক্যাম্পও বন্ধ রয়েছে। ফলে নাজুক হয়ে পড়ছে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের অবস্থা। মানুষের জীবনে যেমন খাদ্যের প্রয়োজন, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জীবন বাঁচানোর জন্য তেমনি খাদ্যের সঙ্গে সঙ্গে রক্তেরও প্রয়োজন। রক্ত গ্রহণ করেই তাদের সারাজীবন অতিবাহিত করতে হয়। করোনা সংকটে তাদেরকে রক্তের জন্য বেগ পেতে হচ্ছে। করোনার মাঝে সব রক্তদাতারা ঘরে চুপ করে বসে আছে এমনটি নয়। অনেকে পরিবারকে না জানিয়েও রক্ত দান করছেন। আমি নই আমরাই সেবা সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাঘারপাড়া ব্যাংকের সদস্য পরিমল বিশ্বাস বলেন, রক্ত ছাড়া কোনো মানুষের জীবন কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু, মানবদেহের এই অত্যাবশ্যকীয় উপাদানটির কোনো বিকল্প তৈরি করা সম্ভব হয়নি। মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে প্রায়ই জরুরিভিত্তিতে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়। শুধু থ্যালাসেমিয়া রোগী নয়, কারো অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, দুর্ঘটনায় আহত, সন্তান প্রসব, অ্যানিমিয়া, হিমোফিলিয়া, অস্ত্রোপচার, রক্তবমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত গেলেও রোগীর শরীরে রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন পড়ে। ১৮ থেকে ৬০ বছরের যে কোনো সুস্থ মানুষ, যাদের শরীরের ওজন ৪৫ কেজির বেশি, তারা চার মাস অন্তর অন্তর নিয়মিত রক্তদান করতে পারেন। এই মহামারি কবে নির্মূল হবে আমরা জানি না। আসুন সবাই আমরা অন্তত এক ব্যাগ রক্ত দান করি। এক ব্যাগ রক্ত দানে বাঁচবে একটি প্রাণ, বেঁচে থাকবে থ্যালাসেমিয়া অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, দুর্ঘটনায় আহত, সন্তান প্রসব, অ্যানিমিয়া, হিমোফিলিয়া, অস্ত্রোপচার, রক্তবমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া রোগীরা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »