শিরোনামঃ
ত্রিশালে দুই মাদক কারবারী আটক-২ আশুলিয়ায় তিতাসের অভিযানে ৬ শত বাসাবাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ফুলপুরের ফান্সে মহানবী হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল নগরকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রসূতির মৃত্যু আহত-৩ যশোরের কেশবপুরে আ’লীগ নেতা হাবিবসহ আন্তঃজেলা চোর সিন্ডিকেটের ৬ সদস্য আটক শ্রীবরদীতে বাঁশঝাড় থেকে রাজমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার নরসিংদীতে যানজটের প্রধান কারণ রাস্তার ওপর অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং মাসুহারা নিচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে গভীর রাতে দুই মালবাহি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ শিশু আব্দুল্লাহর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী: পলক মিন্নির মতো এই ১৪ জনেরও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই রিফাতের বোন
বন্দরে তরুনী ধর্ষনে শিকার গ্রেফতার নেই

বন্দরে তরুনী ধর্ষনে শিকার গ্রেফতার নেই


দেশের গর্জন ফটো

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নানীর বাড়িতে সেভেনআপ নিয়ে আসে দুই মামাতো ভাই ও তাদের এক খালাতো ভাই। সেই সেভেনআপ পান করতেই ঘুমিয়ে পড়েন নানী। একইভাবে ঘুম ঘুম লাগছিল স্কুল পড়ুয়া ফুফাতো বোনেরও। এমন অবস্থায় তিনজন মিলে টেনে হেঁচড়ে পাশের রুমে নিয়ে যায় মেয়েটিকে। এরপর দুইজন তার হাত ধরে রাখে। আর জাহিদ নামে তারই এক মামাতো ভাই ধর্ষণ করে কিশোরী মেয়েটিকে। গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে নানী বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হওয়া কিশোরী এভাবেই বর্ণনা দেয়। নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খাতুনের আদালতে ২২ ধারায় এই কিশোরীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। অভিযুক্ত জাহিদ (২১) বন্দরের নবীগঞ্জ বড় বাড়ি এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে। এ ঘটনায় সহযোগিতা করেছে জাহিদের ছোট ভাই আসিফ ও তাদের খালাতো ভাই রোহান। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ এলাকায় নানী বাড়িতে বেড়াতে যায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মেয়েটি। গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার বাড়ি ফাঁকা পেয়ে দুই ভাইয়ের সহযোগিতায় মামাতো ভাই জাহিদ মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পরদিন গত ৪ অক্টোবর তিনজনকে আসামি করে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও ধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতা মেয়েটির মা। অভিযোগে বাদী বলেন, আসামি জাহিদ অনেকদিন ধরে আমার মেয়েকে খারাপ কাজের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। আমার মেয়ে রাজি না হওয়ায় গত ৩ অক্টোবর আমার মা ও আমার মেয়েকে ঘুমের ওষুধ মেশানো সেভেনআপ পান করায় জাহিদ ও তার দুই ভাই। অচেতন হয়ে পড়তেই পাশের রুমে নিয়ে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে জাহিদ। আর আসিফ ও রোহান আমার মেয়ের হাত ধরে রাখে। এই সময় আমার মেয়ের ডাক-চিৎকারে প্রতিবেশী রমজান ও রহমান নামে দু’জন লোক এগিয়ে আসলে আসামিরা দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »