শিরোনামঃ
নরসিংদীতে জেলা কারাগারে ২৫০০ টাকায় মিলে ১ কেজি গরুর মাংস চরম ভোগান্তিতে আসামীরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার নিয়ে কিছু কথা আজ দেবীর বোধন কাল মহাষষ্ঠী রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউপি নির্বাচন পরবর্তি সহিংসতায় প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা আহত-৫ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম নির্মিত শহীদ মিনার বৌমার সন্তান না হওয়ায় নিজেই গর্ভবতী হলেন শাশুড়ি! যশোরের ঝিকরগাছায় মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত অগ্নিবীণা ক্রীড়া ও যুব সংঘের পক্ষ থেকে আবু নাইম ইকবালকে ফুলেল শুভেচ্ছা এসআই আকবরকে পালাতে সহায়তা করায় এসআই হাসান বরখাস্ত হালদায় ৯ কেজি ওজনের আঘাতপ্রাপ্ত মৃত মা মাছ উদ্ধার
প্রেমের ফাদে ফেলে একাধিক ছেলের সাথে প্রতারনা:

প্রেমের ফাদে ফেলে একাধিক ছেলের সাথে প্রতারনা: নাসরিন


ফটো-Farzana Nadira

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে একাধিক ছেলেকে প্রেমের ফাদে ফেলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে কিছুদিন পর সম্পর্কেও পর আবার নুতন করে অন্য ছেলেকে পটানোর অভিযোগ ও তথ্য প্রমান মিলছে এক কিশোরির বিরুদ্ধে। এক বছরের প্রেম ও পারিবারিক ভাবে বিবাহের প্রস্তাব চলাকালে একাধিক প্রেমিকের সম্পর্কে জড়িয়ে ধরা পড়ায় ঝালকাঠির নামধারী এক স্বর্নকিশোরী প্রেমিকার নাসরিন আক্তার সারা তার বর্তমান প্রেমিককে ফাসাতে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অপরদিকে নামধারী ওই স্বর্ণকিশোরী ও তার প্রেমিককে কেন্দ্র করে ঝালকাঠিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ঝর বইছে। আবার অনেকেই যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সবাইকে সাবধান করছে ঝালকাঠিতে আরেক মিন্নির উত্থান, রিফাতের মত ধ্বংস হতে পারে আর একটি পরিবার। এবার আসি মিন্নি হয়ে ওঠা নামধারী স্বর্ণকিশোরী নাসরিন আক্তার সারার প্রেমের নামে অর্থ হাতানোর গল্পে। কে এই নাসরিন আক্তার সারা কি হয়েছিল শহরের ফকিরবাড়ি এলাকার নাসরিন আক্তার সারার বোনের বাসায়? কেনই বা তার বর্তমান প্রেমিক তার সাজানো নাটকে পা বাড়ালো। যেখানে বছরখানিক প্রেমের সম্পর্কের পর পারিবারিক সম্পর্কের দিকে এগোচ্ছিল হঠাৎ আজ কেন তার বিরুদ্ধে আনা হলো নির্যাতনের অভিযোগ। জানাগেছে নামধারী স্বর্ণকিশোরী নাসরিন আক্তার সারা প্রেমের নামে অর্থ হাতানোই ছিল তার পেশা। সাবেক দুই প্রেমের বিচ্ছেদ ঘটে অর্থ-বাণিজ্য নিয়ে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুবায়ের আদনান নামে তার তৃতীয় প্রেমিকের পথ চলা শুরু হয়। দীর্ঘ এক বছরের প্রেম পৌঁছায় পারিবারিক সম্পর্কে। যুবায়ের আদনান স্কাউট সহ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িত এবং তার পিতা নলছিটি উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক ও মসজিদের ইমাম সামাজিক ব্যক্তিত্ব ওই মাদ্রাসার শিক্ষক খোঁজ নিয়ে স্বর্ণ কিশোরী সারার পরিবারের চলাফেরা এবং সামাজিক স্ট্যাটাস খারাপ হওয়ায় বিবাহের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। আর এতে ক্ষিপ্ত হয় নামধারী স্বর্ণকিশোরী সারার পরিবার। পরে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক তার একমাত্র ছেলে জুবায়ের আদনানকে ওই পরিবার থেকে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করতে বলে। অপরদিকে সারার বোন জুবায়ের আদনানকে কুট পরামর্শ দিয়ে তার পরিবার থেকে আলাদা করে রাখে। বিভিন্ন সময় বর্তমান প্রেমিক জুবায়েরকে তাদের বাসায় ঢেকে নিয়ে শলা পরামর্শ করে তাদের প্রেমকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করনের জন্য প্রস্তাব রাখে। জুবায়ের তাদের পরামর্শ অসম্মতি জানায়। এর আগে প্রেমের ছলে বিভিন্ন সময় সারা ও তার পরিবারের সাথে ওঠাবসায় জুবায়েরের ব্যাপক ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। আর এই ঘনিষ্ঠতার সূত্র ধরেই জুবায়েরের কাছ থেকে ধার বাবদ কখনো পাঁচ হাজার কখনো দশ হাজার কখনো এর অধিক নগদ টাকা নিয়ে আসছিল সারা ও তার পরিবারটি। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে সংগঠনের কাজের নামে পার্কে ঘোড়া, সুগন্ধা বিষখালীতে নৌকা ভ্রমণ, ভিমরুল পেয়ারা বাগান সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতো। আর সেখানেও অর্থের যোগান ছিল একমাত্র বর্তমান প্রেমিক জুবায়ের। বাবার একমাত্র সন্তান পড়ালেখা ও সন্তানের হাত খরচ শিক্ষক পিতা জুবায়েরের মাসের শুরুতেই দিয়ে আসছে প্রতিনিয়ত এদিকে পকেট ভর্তি সেই অর্থ ব্যয় হতো তার প্রেমিকা স্বর্ণকিশোরী নাসরিন আক্তার সারার স্বাদ-আহ্লাদ পূরণে।এতকিছুর পরেও যখন বর্তমান প্রেমিক যুবায়ের জানতে পারে তার পছন্দের পাত্রী অর্থাৎ প্রেমিকা নাসরিন আক্তার সারা অন্য কারো সাথে তার সম্পর্ক চলমান রয়েছে তখন প্রেমিক পাগল যুবায়ের মানতে নারাজ। এই ব্যাপারটা জানাতেই আজ দুপুরে সারার বোনের বাসায় যায় যুবায়ের। সারার বোনের কছে জানতে চাইলেই যুবায়েরকে চর থাপ্পর মারে সারার বোন। পরে যুবায়ের চলে আসলে সারাকে তার বোন থাপ্পর মারতে গেলে সারা তার বাসার ওয়ালের সাথে ধাক্কা খেয়ে মাথায় আগাত পায়। এদিকে তৃতীয় পক্ষের ইন্দনে সারাকে অচেতন আবস্থায় তার বোন কৌশলে প্রথমে ঝালকাঠি সদর থানায় আভিযোগ দেয়। পরে স্বর্ণকিশোরী নাসরিন আক্তার সারাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »