শিরোনামঃ
নরসিংদীতে আশিরনগরের সিএসজি স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির সত্যতা কিছুটা স্বীকার করলেন নেতারা বিএনপি ক্ষমতায় যেতে চোরাগলি খুঁজছে: কাদের প্রতিবন্ধীদের আলাদাভাবে যত্ন নিবেন: ইকরামুল হক টিটু বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য শুধু প্রতিকৃতি নয় বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষকে হতাশ করেছে: জিএম কাদের ফের করোনার নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মৃত্যুতে রেকর্ড এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৮ ছাত্রলীগ কর্মীকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণ: ছাত্র অধিকার পরিষদের তিন নেতা রিমান্ডে মধু দার ভাস্কর্যের কান বিচ্ছিন্ন করল কারা? রাজশাহীতে এএসআইয়ের ঘুষ নেয়ার ভিডিও ভাইরাল
নরসিংদীর ভেলানগর ওভারব্রিজের নিচে মামার ভাপা পিঠার

নরসিংদীর ভেলানগর ওভারব্রিজের নিচে মামার ভাপা পিঠার ক্রেতাদের ভিড়


ফটো-সাইফুল ইসলাম রুদ্র

সাইফুল ইসলাম রদ্র, নরসিংদী প্রতিনিধিঃ নরসিংদীর ভেলানগর ওভারব্রিজের নিচে মামার ভাপা পিঠার দোকান। চারটি মাটির চুলা, তাতে চারটি ভাপা পিঠার পাতিল বসানো।

পিঠা তৈরির বাটিতে চালের গুড়া দিয়ে তার ওপর খেজুরের গুড়, নারকেল, কিসমিস, বাদাম, মোরব্বা ছিটিয়ে দিয়ে ভাপ দিচ্ছিলেন দোকানি। তিন থেকে চার মিনিটের মধ্যেই চুলায় দিয়ে নামানো হচ্ছে ধোঁযা উঠা গরম গরম ভাপা পিঠা।

তৈরি হতেই পিঠাগুলো সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকা ক্রেতা-পিঠাপ্রেমীদের হাতে তুলে দিচ্ছিলেন এক তরণ। আরেক তরণ পাশে বসে বসে ভোজনরসিকদের বাড়ির জন্য পার্সেল তৈরি করছিলেন।

পৌষের কনকনে শীতের সন্ধ্যায় এ চিত্র প্রতিদিনই দেখা যায় মামার ভাপা পিঠার দোকানে। পৌষের কনকনে শীতে ভোজনরসিকদের জন্য মামার ভাপা পিঠার দোকানের মতো এমন শতাধিক পিঠার দোকান রয়েছে শহরের আনাচে-কানাচে। সন্ধ্যা হলেই প্রতিটি পিঠার দোকানেই চলে পিঠা বিক্রির ধুম।

শীতের পিঠার স্বাদ নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না অনেকে। তাই নরসিংদী শহরের হেমেন্দ্রসাহার মোড়, রেলস্টেশন এলাকা, শহরের বটতলা এলাকা, বাণিয়াছল মোড়, হাজীপুর ও তার আশ-পাশের বিভিন্ন এলাকায় পিঠার দোকানে ক্রেতাদের ভিড়ই তার প্রমাণ। ভাপা পিঠা।

ছবি: বাংলানিউজমঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, সূর্য ডোবার পরপরই দোকানিরা তাদের পিঠার পসরা বসান রাজপথে কিংবা পাশের অলি-গলিগুলোতে। চুলায় আগুন জ্বেলে একের পর এক পিঠা বানাতে থাকেন তারা। অন্যদিকে ক্রেতারা গরম গরম পিঠা সাবাড় করতে থাকেন।

এসব দোকানে পাঁচ টাকায় চিতই, ২০ টাকায় ডিম পিঠা ও ১০ থেকে ১০০০ টাকায় ভাপা ও পাটিসাপটা পিঠা পাওয়া যায়। চিতই পিঠার সঙ্গে সরষে, ধনেপাতা, মরিচবাটা বা ঝাল শুঁটকির ভর্তা বিনামূল্যে মেলে। কেউ কেউ বাড়ির জন্য ৫ থেকে ২০টা কিংবা ৫০ টাকা করে পিঠা নিয়ে যান এসব দোকান থেকে।

নরসিংদী ইন্ডিপেন্ডেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ ড. মশিউর রহমান মৃধা জানান, পিঠা-পুলির দেশ বাংলাদেশ। আজকের ব্যস্ত জীবনে শহরের ইট-কাঠের খাঁচায় আর সেই গ্রামের মেঠোপথ ধরে ঝাপসা কুয়াশায় পাওয়া যায় না সকালের খেজুরের রস। তবে নাড়ির টান যে আজও অনুভূত হয় সংস্কৃতির তরে।

তাই শহরবাসীর পিঠার চাহিদা মেটাতে অলি-গলিতে, রাস্তার মোড়ে, বাসস্ট্যান্ড ও বাজারে বসেছে ছোট ছোট পিঠার দোকান। পিঠার দোকানে প্রভাবিত হয়ে ক্রমেই আমাদের নিজ বাড়িতে পিঠা তৈরির ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। পিঠা আমাদেরই ঐতিহ্য, আমাদেরই সংস্কৃতি। এই ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা তাই আমাদেরই করতে হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »