শিরোনামঃ
সোনারগাঁয়ে পানি নিস্কাশনের যায়গায় ময়লার ভাগার, দেখার কেউ নেই ছাতকে উত্যেক্তকারিদের হামলায় নারী আহত: থানায় অভিযোগ শিবপুর উপজেলার বি.বি.এস ইটভাটার কাজকর্ম চালানো হচ্ছে শিশু শ্রমিক সোনারগাঁয়ে হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের চার দফা কর্মবিরতি পালন রিষাবাড়ীতে নদীতে ঝাপিয়ে পড়া ৩ জুয়াড়ির লাশ উদ্ধার, দায়িত্ব অবহেলায় ২ পুলিশ প্রত্যাহার, আটক ২ ঢাকা থেকে পায়রাবন্দর পর্যন্ত রেললাইন নিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রী প্রাইভেট ও সরকারি হাসপাতাল মিলেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শাসন দীর্ঘায়িত করার ইচ্ছা সরকারের নেই: কাদের দেশরক্ষার জন্য নদীরক্ষা অপরিহার্য: তথ্যমন্ত্রী নরসিংদীতে আশিরনগর সিএনজি স্ট্যান্ডে স্টিকার ব্যবহার করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ
নরসিংদীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৬১ লক্ষ টাকা

নরসিংদীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৬১ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ


ফটো-সাইফুল ইসলাম রুদ্র

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী: নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পিরিজকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, সে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিদ্যালয়ের প্রায় ৬১ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে।

এছাড়া সে কোচিং করে অধিক টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আত্মসাৎ করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নে ১৯২৪ সালে স্থাপিত উচ্চ বিদ্যালয়টি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সকলের নিকট পরিচিত ।

গত ০৩ নভেম্বর তারিখে বিদ্যালয়ের অভিভাবকবৃন্দ নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

উল্লেখ্য উক্ত প্রতিষ্ঠানটি একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। অভিভাবক, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা বহুদিন যাবৎ শুনিয়া আসছি বলে জানান স্থানীয় এলাকাবাসী। অভিযোগে উলেখ্য বিগত কয়েক বছর প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক সম্মিলিত বিদ্যালয়ের হিসাব নিরিক্ষণ করে আসছেন ।

বিদ্যালযয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক বিদ্যালয়ের ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা না করে নিজের ইচ্ছেমতো ব্যয় করে আসছিলো, যাতে প্রায় ৬১ লক্ষ টাকা আত্মসাতের প্রমান পাওয়া গেছে।

যাহার কোনো ভাউচার নেই। বিগত ১০ বছর যাবৎ বিদ্যালয়ের নিয়মিত পরিচালনা কমিটি নেই এছাড়াও বিদ্যালয়ের ক্যাশ বই ও অন্যান্য রেজিস্ট্রার ১০ বৎসর যাবৎ নিয়মিত সংরক্ষণ করা হয় না। বর্তমানে যে সকল বাউচার দেখানো হয়েছে তা অধিকাংশই অগ্রহণযোগ্য এবং রশিদ বিহীন প্রধান শিক্ষক কর্তৃক গৃহীত।

এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এক শিক্ষক বলেন,উক্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আজহারুল ইসলাম প্রকৃত পক্ষে একজন বাজে স্বভাবের লোক এবং দীর্ঘ দিন যাবৎ সে বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাৎ করে আসছে।

পরবর্তীতে অভিযোগকারী অভিভাবক মোঃ ছাদেক মিয়া বলেন, প্রধান শিক্ষক অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও হিসাবরক্ষক নিয়মিত বেতন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় টাকা উত্তোলনের পর তিনি গ্রহণ ও প্রদান করতেন কোনো ভাউচার ছাড়াই। তাছাড়া তিনি গত ১০বৎসর যাবৎ কোন স্কুল কমিটি তৈরির প্রয়োজনীয়তা বোধ না করে নিজের মনগড়া পরিচালনা করতো শুধু মাত্র টাকার অনৈতিকতার ও কুক্ষিগত করার জন্য।

অভিযোগকারি শামসুল ইসলাম কিরণ বলেন, প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে হিসাব চাইলে তিনি গড়িমশি করে আসছিলো কখনো কাউকে টাকার কোনো হিসাব বুঝাইনি বা বুঝতেও দেননি । আত্মসাতের অভিযোক্তকে অপসারণ সহ প্রশাসনিক উচ্চতর তদন্তের মাধ্যমে প্রযয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে স্কুলের সাভাবিক গতিধারা ফিরিয়ে আনার জোর দাবি করছি। তাছাড়া এই প্রধান শিক্ষক মোঃ আজহারুল ইসলামের দুর্নীতি নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি এ বিষয়ে তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে দোষিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »