শিরোনামঃ
ঝালকাঠিতে বাই-সাইকেল সেলাই মেশিন সহ ছাত্রী ও হতদরিদ্রদের মাঝে বিভিন্ন উপকরন বিতরন যশোর সদর উপজেলা নির্বাচনে ২ লাখ ৬৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে নৌকা জয়ী কালীর বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এর উদ্বোধন সুনামগঞ্জ জেলার প্রথমবারের মতো ছাতকে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউপি নির্বাচনে ২ ন্ং ওয়ার্ডে প্রতিপক্ষ ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী’র সমর্থকের উপর হামলা আহত-৫ দলীয় সরকারের অধীনে এদেশে কখনই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল  প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ইবি কর্মকর্তা সমিতির ৫ লাখ টাকা প্রদান কসবায় ৩০ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার গ্রেফতার-২ রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ নেতাকে গুলি করে হত্যা আগাম জামিন নিক্সন চৌধুরী এমপির
ডিসির প্রমোদকক্ষ থেকে জ্বলতো লাল-সবুজ বাতি-অতঃপর

ডিসির প্রমোদকক্ষ থেকে জ্বলতো লাল-সবুজ বাতি-অতঃপর


আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম: বহুল আলোচিত নারী সহকর্মীর সানজিদা ইয়াসমিন সাধনার সঙ্গে অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনায় সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় বয়ে যাচ্ছে ডিসি আহমেদ কবীরকে নিয়ে। মুখরোচক আলোচনা টক অব দ্যা টাউন থেকে টক অব দ্যা কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর জেলার সরকারি শীর্ষ একজন কর্মকর্তার এমন কাণ্ড হতবাক করেছে সবাইকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছিল ডিসির বিশ্রামকক্ষ থেকে। যেখান থেকে লাল আর সবুজ বাতি জ্বালিয়ে দায়িত্বরত পিয়নকে দুটি ইঙ্গিত দিতেন তিনি। কী আছে এই লাল- সবুজ বাতিতে? জানা গেছে, অফিস কক্ষের পাশের ওই রুমটিতে আগে বিশেষ মিটিং করতেন ডিসি। পরে টেবিল চেয়ার সরিয়ে সেখানে খাট বসানো হয়। বলা হয়, রুমে তিনি বিশ্রাম নিবেন। ডিসির রুমে যাওয়ার জন্য যে দুটি রাস্তা ছিল, তার একটি বন্ধও করে দেয়া হয়। অপর গেটটির উপরে আছে লাল এবং সবুজ বাতি। বিশ্রাম কক্ষে নারী নিয়ে প্রবেশ করার সময় লাল বাতি জ্বালিয়ে রাখতেন ডিসি আহমেদ কবীর। বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখতেন একজন পিয়ন, যার কাজ ছিলো ওই সময় রুমে যাতে কেউ ঢুকতে না পারেন তা পাহারা দেয়া। পিয়নকে আগেই বলা থাকতো, সবুজ বাতি না জ্বলা পর্যন্ত কাউকে যেন ভেতরে ঢুকতে দেয়া না হয়। কেবলমাত্র সবুজ বাতি জ্বললেই ডিসির রুমে ঢুকতে দিতেন আদেশপ্রাপ্ত পিয়ন। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একাধিক কর্মীর বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট কর হয়। যা পরবর্তিতে মুছে ফেলা হলেও তার আগেই ফেসবুক এবং মেসেঞ্জারের বিভিন্ন গ্রুপে তা ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোতে খবর প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে বলা হচ্ছিল, ভিডিওটি অফিসের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় (সিসি) ধারণ করা। প্রশ্ন ওঠে তবে কি ওই রুমে সিসি ক্যামেরার কথা জানতেন না ডিসি? এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেলো ভিন্ন কথা। আসলে ওই রুমে কোনো সিসি ক্যামেরা ছিলোই না। এদিকে, ওই নারীর সঙ্গে ডিসির সম্পর্ক এতটাই ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠে যে, ‘অফিস সহায়ক’ হলেও তিনি খবরদারি চালাতো সবার সঙ্গে। তার ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে অফিসের কর্মীদের মধ্যে কেউ ওই রুমে গোপন ক্যামেরা সেট করেন। আর তাতেই ধরা পড়ে বিশ্রাম রুমে ডিসির আপত্তিকর ভিডিও।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »