জীবননগরের করতোয়া নদী পুনঃখননের শুভ উদ্বোধন করলেন:

জীবননগরের করতোয়া নদী পুনঃখননের শুভ উদ্বোধন করলেন: এমপি টগর


ফটো-মুতাছিন বিল্লাহ

মুতাছিন বিল্লাহ, জীবননগর চুয়াডাঙ্গাঃ ৬৪ জেলায় ছোট নদী, খাল, জলাশয় পুন:খনন প্রকল্পের আওতায় চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নে করতোয়া নদী পুনঃখননের কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

 

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে ৬ কোটি ৭৯হাজর টাকা ব্যয়ে (৩১শে জানুয়ারী) রবিবার দুপুরে এই খনন কাজের উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগর টগর। এ উপলক্ষে করতোয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে উদ্বোধনী সভায় চুয়াডাঙ্গা পাওয়ার বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আলী আজগর টগর।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রকৌশলী আবদুল হেকিম,তত্তাবধানে প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মুনিম লিংকন , উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মর্তুজা ,সীমান্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আঃ মালেক মোল্লা, সীমান্ত ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মিল্টন মোল্লা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মোঃ আব্দুল লতিফ অমল সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক,ও ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী সহ সাধারণ জনগন।

 

জানা গেছে, জেলার নাব্য হারানো নদীগুলোর মধ্যে করতোয়া নদী। নদীটি ভারতের মাজদীহা হতে জীবননগর উপজেলার মেদিনীপুর হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।করতোয়া ছিল খরস্রোত একটি নদী।

 

কিন্তু বাঁধের কারণে পানি প্রবাহ সংরক্ষণ বাঁধের কারণে করতোয়া নদীটি নাব্য হারিয়ে মরা খালে পরিণত হয়। এ নদীর পানির উপর নির্ভরশীল ছিল উপজেলার হরিহরনগর,মেদিনীপুর, বেনীপুর,ধান্যখোলা,কয়া, হাবিবপুর,যাদবপুর,গঙ্গাদাশপুর ও সীমান্ত ইউনিয়নের জনসাধারণ।

 

এছাড়াও মহেশপুর উপজেলার ও সুন্দর আশপাশের ইউনিয়নের বাসিন্দারা। কিন্তু আষাঢ় মাসেও এই নদীতে পানি থাকে না। ফলে পানি না থাকায় এক সময়ের খরস্রোতা নদী তীরবর্তী জনসাধারণ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ব্যাহত হয় চাষাবাদ। হারিয়ে যায় দেশি প্রজাতির সুস্বাদু মাছ।

 

এমন অবস্থায় স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড করতোয়া নদী খনন নামে একট প্রকল্প গ্রহণ করে। প্রকল্পটি একনেকে পাস হবার পর দরপত্র আহ্বান ও গ্রহণ শেষে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের কার্যাদেশও দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নদীর খনন কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহেদুল ইসলাম জানান,জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর হতে পাথিলা পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার করতোয়া নদী খনন করা হবে।

 

এছাড়াও খনন কাজ শেষ হলে নদী তীরবর্তী কয়েক লাখ লোক উপকৃত হবে। নদীর পানি সেচসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা যাবে। দেশী প্রজাতির মাছ চাষ করে সরকার কয়েক কোটি টাকার রাজস্ব পাবে। ফিরে আসবে জীববৈচিত্র এমনটাই আশা করছে সাধারণ জনগণ।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2021 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »