শিরোনামঃ
কওমী মাদরাসা লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি হেফাজতের টাঙ্গাইলে দুই সন্তানের জননী মল্লিকা বেগমের আত্মহত্যা নরসিংদীতে করোনা মোকাবেলায় সংবাদকর্মী রুদ্র এর পক্ষ থেকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ জনকণ্ঠ ভবনের মূল ফটকে তালা, ভবনের সামনের রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন সাংবাদিকরা শার্শায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার খামখেয়ালীপোনায় ২য় ডোজ টিকা নিয়ে বিপাকে ভূক্তভোগীরা বার্সাকে হারিয়ে শীর্ষে রিয়াল চলমান করোনা নিষেধাজ্ঞা ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে মিয়ানমারের বাগো শহরে সামরিক বাহিনীর গুলিতে নিহত ৮০ ছাড়িয়েছে গজারিয়ায় জাটকাবাহী ট্রলার ও জাটকা সহ ৪ জন আটক, কারাদণ্ড করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেননি খালেদা জিয়া
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় আছমিনা খাতুন ফিরে

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় আছমিনা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার


ফটো-হাফিজুর রহমান

হাফিজুর রহমান: মোছাঃ আছমিনা খাতুন(২৪), পিতা-মৃত আশরাফ আলী, সাং-ফোরশেদপুর, থানা-দর্শনা জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর সাথে মোঃ শাহাবুল ইসলাম (৩০), পিতা-মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাং- ফোরশেদপুর, থানা-দর্শনা জেলা-চুয়াডাঙ্গার ০৪ বছর আগে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিবাহ হয়।

গত ০১ বছর থেকে বিভিন্ন সময়ে শাহাবুল তার স্ত্রী আছমিনার নিকট বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবী করে আসছিল। আছমিনা সংসারের সুখের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন সময়ে তার পিতার বাড়ী হতে টাকা এনে তার স্বামীকে দেয়।

এরপরও শাহাবুল আরো টাকার জন্য আছমিনা’কে চাপ প্রয়োগ করলে আছমিনা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। পরবর্তীতে শাহাবুল তার স্ত্রী আছমিনাকে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতনসহ তালাকের ভয় দেখায়। আছমিনা খাতুন বিভিন্ন জায়গায় তার সমস্যার সমাধান না পেয়ে অবশেষে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত অভিযোগটি তার কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এ কর্মরত নারী এএসআই (নিরস্ত্র)/মিতা রানী বিশ্বাস’কে দিলে তিনি উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন।

উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মোঃ শাহাবুল (৩০), এবং মোছাঃ আছমিনা খাতুন(২৪) দম্পত্তি পুনরায় সংসার করতে সম্মত হয়। ফলে উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের কল্যাণে আছমিনা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2021 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »