শিরোনামঃ
নরসিংদীতে পলাশে ২ ডিশ ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা জীবননগরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার ফুলপুরে জঙ্গলে জুয়ার আসর দেখার কেউ নেই কী গ্রামবাসীর অভিযোগ ছাতকে প্রথমবারের মতো মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হবে আগামীল শুক্রবার নরসিংদীতে যানবাহনের যানজট দূরীকরণে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে ট্রাফিক পুলিশ  বরগুনায় কিশোরীদের মাঝে সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ কুমিল্লায় গরু চোর চক্রের ৩ সদস্য আটকঃ গরু বিক্রির নগদ টাকা উদ্বার দর্শনায় নাতীকে ধর্ষণের অভিযোগে দাদা গ্রেফতার ফুলপুরে যত্ন প্রকল্পের টাকা উত্তোলনে কোন স্বাস্থ্যবিধি নেই বলে উঠেছে অভিযোগ মানিকগঞ্জ জেলার তদারকি কার্যক্রম
চরম অবহেলিত সোনারগাঁও পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড

চরম অবহেলিত সোনারগাঁও পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড


দেশের গর্জন ফটো

সোনারগাঁ প্রতিনিধি: সোনারগাঁও পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের ছোটশীলমান্দি গ্রামের রাস্তাটি দীর্ঘ দিন থেকে অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত। দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছরেও কোন উন্নয়ন বা সংস্কার হয়নি বলে অভিযোগ গ্রামের বাসিন্দাদের। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে এবং উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন তথা মোগড়াপাড়া, সনমান্দি ও পৌরসভার সংযোগ সড়ক হওয়ায় সড়কটি অন্তত ১০-১২টি গ্রামের মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ন। তাছাড়া ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে নতুন নতুন শিল্প কারখানা ও শিল্পাঞ্চল গড়ে ওঠায় মানুষের যাতায়াত বেড়েছে বহুগুন। কিন্তু রাস্তাটি এখনো কাঁচা হওয়ায় কোন প্রকার যানবাহন এমনকি রিকশাও চলাচল করতে পারেনা। বর্ষাকালে রাস্তা ব্যবহারকারীদের পোহাতে হয় দুর্ভোগ। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় বিভিন্ন অংশে গর্তের সৃষ্টি হয়ে পানি জমে থাকে। তখন হাটা চলারও জো থাকেনা। ছোটশীলমান্দি গ্রামের বাসিন্দা হাফেজ মোক্তার হোসেন বলেন, রাস্তা না থাকায় প্রতিদিনই অনেক ভোগান্তি হয়। বাজার সদাই এমনকি ছোটখাটো মালামাল আনতেই অনেক কষ্ট করতে হয়। গ্রামের বাসিন্দা মোখলেসুর রহমান চ্যানেল আইকে বলেন, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়, কেউ অসুস্থ হলে। হাসপাতালে নেওয়ারও কোন উপায় নেই, রোগীকে পাজাকোলে করে অথবা হেটে মুল রাস্তায় নিয়ে যেতে হয়। অথচ ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংযুক্ত এই সড়কটি। জনপ্রতিনিধিদের অবহেলার কারনে এত বছরেও এই রাস্তাটি পাকা হয়নি। গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক আকতার হাবিব বলেন, ছোটশীলমান্দির এই রাস্তাটির র্দৈঘ্য প্রায় দের কিলোমিটার। বৃটিশ আমল থেকেই রাস্তাটি সরকারি হালট রয়েছে প্রায় ১২ ফুটের বেশি। ২০০১ সালে সর্বশেষ রাস্তাটিতে মাটি ভরাট করা হয় এরপর এত বছরেও আর কোন উন্নয়ন বা সংস্কার কাজ হয়নি। এক রাস্তার কারনে আটকে আছে সব উন্নয়ন কাজ। দোকানদার, জুয়েল মিয়া বলেন, রাস্তা না থাকার কারনে দিন দিন অনেকেই বাড়ি বিক্রি করে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। গ্রামের একটি অংশের প্রায় অর্ধেক বাড়ি ঘর ও জনসংখ্যা কমে গেছে। চৈতি কম্পোজিট নামের শিল্প কারখানার কাছে বাড়ি বিক্রি করে অনেকেই দেশান্তরি হতে বাধ্য হয়েছে। গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা পৌরসভার ভোটার হিসেবে সব সময় নিয়মিত ট্যাক্স দিয়ে আসছি। অথচ আমরা কোন নাগরিক সুবিধাই পাইনা। অতীতে বহুবার পৌরসভার মেয়রসহ স্থানীয় এমপি রাস্তাটি করে দিবেন বলে কথা দিয়েছেন। কিন্তু কথা কাজের বাস্তবায়ন হয়নি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »