শিরোনামঃ
সোনারগাঁয়ে হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের চার দফা কর্মবিরতি পালন রিষাবাড়ীতে নদীতে ঝাপিয়ে পড়া ৩ জুয়াড়ির লাশ উদ্ধার, দায়িত্ব অবহেলায় ২ পুলিশ প্রত্যাহার, আটক ২ ঢাকা থেকে পায়রাবন্দর পর্যন্ত রেললাইন নিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রী প্রাইভেট ও সরকারি হাসপাতাল মিলেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শাসন দীর্ঘায়িত করার ইচ্ছা সরকারের নেই: কাদের দেশরক্ষার জন্য নদীরক্ষা অপরিহার্য: তথ্যমন্ত্রী নরসিংদীতে আশিরনগর সিএনজি স্ট্যান্ডে স্টিকার ব্যবহার করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নরসিংদীতে রায়পুরায় জলপাই খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার প্রতিবন্ধি বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি, এমপিওভূক্তি করণ সহ ১১দফা দাবীতে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ড এর উত্তরবঙ্গে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ
চট্টগ্রামে এপিক হেলথ কেয়ারে ভূয়া রিপোর্ট!

চট্টগ্রামে এপিক হেলথ কেয়ারে ভূয়া রিপোর্ট!


ফটো-সংগ্রহীত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম নগরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রোগীকে সেবা দেয়ার নামে ব্যাঙের ছাতার মত অসংখ্য বেসরকারী হাসপাতাল, ডায়গনস্টিক সেন্টার, হেলথ কেয়ার ও ক্লিনিক গড়ে তোলেছে। নামে-বেনামে প্রতিষ্ঠান খোলে বসলেও কর্মকর্তা-কর্মচারী এমনকি ঐসব হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তাররাও রোগীদের সাথে চিকিৎসার বিষয়ে সঠিক কোন মতামত দিতে নারাজ। সম্প্রতি আন্দরকিল্লা এপিক হেলথ কেয়ারের বিরুদ্ধে আল্ট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষায় ভূয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মোমিন রোডের বাসিন্দা মিসেস শাহানা আক্তার (৫১) নামে এক মহিলার আল্ট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষা করানোর পর তার গলব্লাডারে পাথর রয়েছে উল্লেখ করে ভূয়া রিপোর্ট দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন। শাহানা আক্তার সিটি নিউজকে জানান,২০১৮ সালের মে মাসে রাজধানী ঢাকা স্কয়ার হাপসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে তার গলব্লাডারসহ থলিতে জমা পাথর অপসারণ করা হয়েছিলো তাহলে গলব্লাডারে পাথর কিভাবে এলো। তিনি আরো জানান,এপিকের এই রিপোর্ট হাতে পেয়ে আমি ও আমার পরিবার চিন্তিত হয়ে পড়ি। গত সোমবার ১২ অক্টোবর পেঠ ও বুকে ব্যাথা অনুভব করলে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ বিমলেন্দু চন্দ (বিমল) এর চেম্বারে পরমর্শের জন্য দেখা করি।ডাক্তার বিভিন্ন টেস্ট করানোর পরামর্শ দেন। পরে গত ১৩ অক্টোবর আন্দরকিল্লা এপিক হেলথ কেয়ারে টেস্টগুলো করি।রিপোর্টে গলব্লাডারে পাথর রয়েছে উল্লেখ করা হয়। ওই টেস্ট রিপোর্টগুলো দেখানোর পর আল্ট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষার রিপোর্ট ভুল হয়েছে মনে করেন বলে ডাক্তার বিমল তাকে জানান। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ বিমলেন্দু চন্দ (বিমল) মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কখনও নামের ভুলে এক রোগীর রিপোর্ট অন্য রোগীর হাতে যাওয়ায় ঘটছে বিপত্তি। কখনও আবার রিপোর্টে তথ্যের গন্ডগোলে মানসিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছেন রোগীর পরিজনেরা। এই পরিস্থিতিতে এ ধরনের গাফিলতির ক্ষেত্রে প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরিগুলো সেবার নামে বাণিজ্য করছে অনেক অভিযোগ রয়েছে রোগীদের।এ বিষয়ে আন্দরকিল্লা শাখার ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান বলেন,রিপোর্ট সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারবেন না। তবে আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট যিনি দেখেছেন এবং যে ডাক্তারের স্বাক্ষর রয়েছে তার সাথে আলোচনা করতে হবে। ডাক্তার ফারহানা তাবাচ্ছুমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,রিপোর্টটি আমাকে দেখতে হবে অনেক সময় রিপোর্ট ভুল হয়,ভুলবশতভাবে একজন রোগীর রিপোর্ট আরেকজনের কাছে চলে যায়।অনেক সময় কম্পিউটারে অটো সেট করা থাকলে কিছু এডিট করে সেগুলো প্রিন্ট করা হয়।আগামী বুধবার রোগীকে সবগুলো রিপোর্ট নিয়ে তার চেম্বারে দেখা করার জন্য অনুরোধ জানান।বিষয়টি তিনি গুরুত্বসহকারে দেখবেন। মিসেস শাহানা আক্তার বলেন, অসুস্থ হলে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। সামান্য ভুলের কারণে একটি পরিবার অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।আমার পরিবার এই বিষয় নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছিল। এ ব্যাপারে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি সিটি নিউজকে বলেন, আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টটি আমাকে দেখতে হবে কোথায় সমস্যা রয়েছে।এরপর সঠিক বিষয়টি বলতে পারবো।পরে রোগীর নিকট হতে অভিযোগ পেলে তদন্ত কমিটি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে তাদের বিরুদ্ধে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »