শিরোনামঃ
ত্রিশালে দুই মাদক কারবারী আটক-২ আশুলিয়ায় তিতাসের অভিযানে ৬ শত বাসাবাড়ির অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ফুলপুরের ফান্সে মহানবী হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শন করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল নগরকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রসূতির মৃত্যু আহত-৩ যশোরের কেশবপুরে আ’লীগ নেতা হাবিবসহ আন্তঃজেলা চোর সিন্ডিকেটের ৬ সদস্য আটক শ্রীবরদীতে বাঁশঝাড় থেকে রাজমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার নরসিংদীতে যানজটের প্রধান কারণ রাস্তার ওপর অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং মাসুহারা নিচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে গভীর রাতে দুই মালবাহি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ শিশু আব্দুল্লাহর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী: পলক মিন্নির মতো এই ১৪ জনেরও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই রিফাতের বোন
চট্টগ্রামের আনোয়ারার মন্নান চেয়ারম্যান কোটি টাকার জমি

চট্টগ্রামের আনোয়ারার মন্নান চেয়ারম্যান কোটি টাকার জমি চেয়ারম্যান পেলেন দানপত্রে


চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বটতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মন্নানকে কোটি টাকা মূল্যের এক কানি এক গুন্ডা তিন কড়া জমি দান করেছেন জনৈক নাসিম আনোয়ার নামের এক ব্যাক্তি যা নিয়ে আলোচনা চলছে উপজেলার সবর্ত্রে। কারণ একই মৌজার আবু বকর থেকে তিন গন্ডা এক কড়া জমি ক্রয় করেছেন চেয়ারম্যান। কৌতূহলী এলাকাবাসীর ধারণা দুদক থেকে বাঁচতে জমি ক্রয় করলেও তা দানপত্র হিসাবে লিখে নিয়েছেন। এম এ মন্নান আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জানা যায়, এম এ মন্নান কোটি টাকার বিনিময়ে বটতলী মৌজা থেকে নাসিম আনোয়ার থেকে এক কানি এক গুন্ডা তিন কড়া ও আবু বকর থেকে তিন গন্ডা এক কড়া জমি ক্রয় করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এম এ মন্নান। কিন্তু আবু বকর থেকে নেওয়া জমিটি ক্রয় দেখালেও নাসিম আনোয়ার থেকে নেওয়া জমিটির দলিলপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে দানপত্র হিসাবে। দাতাকে জেঠাতো ভাই বললেও তার কোন সত্যতা নেই বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। শুধু মাত্র দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক, কর দেওয়া থেকে বাঁচতে দানপত্র হিসাবে দেখানো হয়েছে। একজন চেয়ারম্যানকে কিভাবে দানপত্রে এত জমি দান করে তার কোন উত্তর খুজে পাচ্ছে না এলাকাবাসী। শুধু তাই নয় দৃশ্যমান কোন ব্যবসা বাণিজ্য না থাকলেও তিনি চট্টগ্রাম শহরে গড়ে তুলেছেন আলীশান ফ্লাট বাড়ি। শুধুমাত্র চেয়ারম্যান হিসাবে বাজার, টিআর কাবিখার বারদ্দ, সাব-ঠিকাদারী নিয়ে নয় ছয় করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আবদুল মন্নান এক সময় নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি ভাড়া দিয়েছিলেন আর্থিক অভাবে। কিন্তু ১৯৯৬ সালে ইসলামী ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সহসভাপতির পদ থেকে আওয়ামীলীগে যোগ দেওয়ার পর তার ভাগ্য খুলে যায়। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর ৯৭ সালে বটতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার পর তার ভাগ্য খুলে যায়। চেয়ারম্যান পদকে ব্যবহার করে সে সময় আর্থিক স্বচ্চল হন। ২০১৪ সালে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ১৬ সালের নির্বাচনে পেশীপক্তি ব্যবহার করে ভোট কেন্দ্র দখল করে আবারো বটতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হন। এরপর আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে আনোয়ারা বেধিবাধ নির্মাণ প্রকল্পের সাব-ঠিকাদারী নিয়ে ২৮০ কোটির টাকার প্রকল্পের হরিলুট করেন। যা ইতিমধ্যে দূর্নীতি দমন কমিশন দুদক তদন্তে নেমেছে। এছাড়াও বটতলী শাহ মোহছেন আউলিয়ার মাজার, বটতলী বাজার থেকে নিয়মিত টাকা আদায়, সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে টাকা আদায় করছেন। চেয়ারম্যান হওয়ার পর টিআর কাবিখা, কাবিটা, এডিভি, এলজি, এসপি ও ৪০ দিনের কর্মসূচিসহ অনান্য প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও ১৯৯৭ সালে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করার সময়ে কাবিখা প্রকল্পের অধীনে খাল খননের ৬৫ মে. টন চাল যার তৎকালিন বাজার মূল্য সাত লক্ষ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ রয়েছে। ২০০০ সালে বটতলী এস এম আউলিয়া স্কুলে নিযোগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়া একজন শিক্ষককে সভাপতি হিসাবে আর্থিক লেনদেন করে নিয়োগ দেন, যার কারণে তার বিরুদ্ধে মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ দেওয়া হয়। সার্বিক বিষয়ে এম এ মন্নান চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »