শিরোনামঃ
কওমী মাদরাসা লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি হেফাজতের টাঙ্গাইলে দুই সন্তানের জননী মল্লিকা বেগমের আত্মহত্যা নরসিংদীতে করোনা মোকাবেলায় সংবাদকর্মী রুদ্র এর পক্ষ থেকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ জনকণ্ঠ ভবনের মূল ফটকে তালা, ভবনের সামনের রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন সাংবাদিকরা শার্শায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার খামখেয়ালীপোনায় ২য় ডোজ টিকা নিয়ে বিপাকে ভূক্তভোগীরা বার্সাকে হারিয়ে শীর্ষে রিয়াল চলমান করোনা নিষেধাজ্ঞা ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে মিয়ানমারের বাগো শহরে সামরিক বাহিনীর গুলিতে নিহত ৮০ ছাড়িয়েছে গজারিয়ায় জাটকাবাহী ট্রলার ও জাটকা সহ ৪ জন আটক, কারাদণ্ড করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেননি খালেদা জিয়া
কুমারখালীতে ভাবীর ষড়যন্ত্রের শিকার দুই দেবর

কুমারখালীতে ভাবীর ষড়যন্ত্রের শিকার দুই দেবর


ফটো-শামিম হাসান 

কুমারখালী প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চর জগন্নাথপুর গ্রামের প্রবাসী বড় ভাইয়ের স্ত্রীর ষড়যন্ত্রের শিকারে নিঃস্ব হতে বসেছে দুই দেবর। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে ভিটা ছাড়া করার প্রচেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।

 

ভুক্তভোগী ইউনুস আলী ও গ্রাম্য ডাক্তার সজিব হোসেন জানান, গত ১৫ জানুয়ারী সকালে তার বড় ভাবী জোসনা খাতুন বাহামন্ডল, শাহামন্ডল, আমির সোহেল, রফিক, তার ভাবীর বাবা মলো বিশ্বাস, ভাই আকরাম, শুকুর, সবুজ ও আকরামের জামাই সোলায়মানদের সাথে করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের উপর হামলা করে।

 

এ সময় তারা দুই ভাই ছাড়াও তাদের আরেক ভাই কামাল, চাচা আত্তাপউদ্দিন মোল্লা, চাচাত ভাই গাফ্ফার মন্ডল ও মজিবর মন্ডল ঘটনাস্থলে থাকাকালীন তার ভাবীর ভাড়াটিয়া গুন্ডা ও আত্মীয়দের দ্বারা আক্রান্ত হন।

 

এসময় কামালের স্ত্রী সোনিয়া খাতুন ও সজিব আহত হন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কুমারখালী থানায় গেলে চর জগন্নাথপুরের রশিদ মন্ডল স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে বলেন। তারা থানায় অভিযোগ না দিলেও তার ভাবী থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

 

এবং স্থানীয় ভাবে ও থানায় দুইবার বসে মিমাংসার চেষ্টা করা হলে তার ভাবী হাজির হননি।

 

ইউনুস আলী আরো জানান তারা বর্তমান ৮ জন অংশীদার জগন্নাথপুর মৌজার আরএস ৯৩৯ নং দাগের ১ একর ৪২ শতাংশ জমির রেকর্ডীয় মালিক মাহাতাব উদ্দিন ও নিজামউদ্দিনের নিকট থেকে ১৯৮৯ সালে ২০৯৯ নং দলিলে ৪১ শতাংশ, ১৯৯৮ সালে ২১১৭ নং দলিলে ২৬ শতাংশ এবং অপর রেকর্ডীয় মালিক লোকমান মোল্লার নিকট থেকে ১৯৯০ সালে ৩৯ শতাংশসহ মোট ১ একর ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে উত্তর অংশে দখল বুঝে নিয়ে যথাক্রমে নিজেদের মধ্যে মৌখিক এওয়াজের মাধ্যমে বসতবাড়ি ও দোকানঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছেন।

 

এবং রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরসূরী আফতাব উদ্দিন মোল্লা এই দাগের দক্ষিণ অংশে ৩৫ শতাংশ সম্পত্তি ভোগদখল করছিলেন।

 

কিন্তু হটাৎ করেই তারা জানতে পারেন আফতাব উদ্দিন মোল্লা ২০২০ সালের শেষের দিকে তার ভাবী জোসনা খাতুনের নিকট তাদের বসবাসরত উত্তর অংশের কামাল মন্ডলের বসতবাড়ির অংশে হাতনকশায় দলিল প্রস্তুত করে কুমারখালী সাব রেজিস্ট্রার অফিসের মাধ্যমে ২৫ শতাংশ জমি বিক্রি করেন।

 

বিক্রির পর থেকেই জোসনা খাতুন বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছেন তাদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য।

 

তিনি আরো বলেন আমরা ৩০ বছর যাবত বসবাস করছি উওর অংশে হটাৎ করেই আমাদের নিঃস্ব করার জন্য আফতাব মোল্লা তার ভাবী প্রভাবশালী জোসনা খাতুনের নিকট তাদের বসতবাড়ি উল্লেখ করে জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। অথচ দক্ষিণ অংশে তার ৩৫ শতাংশ জমি রয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2021 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »