শিরোনামঃ
ছাতকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পিকাপসহ ৭ ডাকাত আটক  নরসিংদীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সুগন্ধিযুক্ত কলম্বো জাতের লেবুর আবাদ ঠাকুরগাঁওয়ে আমন ধানে পাতা ব্লাস্ট ও কারেন্ট পোকার উপদ্রবে দিশেহারা কৃষক নরসিংদীতে টাকার বিনিময়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবাধে চলছে ফিটনেসবিহীন যানবাহন সোনারগাঁ পৌরসভার মেয়র প্রার্থী রাব্বির পূজা মন্ডপ পরিদর্শন সোনারগাঁয়ের সাংবাদিক সুজন এর মামা রেজাউল ইন্তেকাল দর্শনা থানা পুলিশের অভিযানে ৪ জন ভুয়া পুলিশ আটক ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চা-বাগান ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী: ছাদেকুল আশুলিয়ায় জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে থানায় অভিযোগ পটিয়ায় কর্ভাডভ্যানের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত
কালাইয়ে সরকারি জমি দখল করে দোকান ও

কালাইয়ে সরকারি জমি দখল করে দোকান ও বাড়ি নির্মাণ


ফটো-মেহেদী হাসান

মেহেদী হাসান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের কালাই পৌরসভার আঁওড়া মহল্লাবাসী ভূমি কার্যালয়ের প্রায় ৬০ শতক জমি দখল করে দোকান ঘর ও বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস ও ব্যবসা করছেন। দীর্ঘ দিন থেকেই এসব বসতবাড়ি ও দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে একটি মন্দিরও। অথচ উপজেলা প্রশাসন এখনো সেগুলো উচ্ছেদের কোন উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবি, তৎকালিন জমিদার মন্দিরের নামে ৪৪ শতক জমি দান করেছেন। স্থানীয় ভ‚মি অফিস ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কালাই পৌরসভার আঁওড়া মৌজার জেএল নং- ৫৬, দাগ নং ১২৩৩ /১৪০৩, ভিপি খতিয়ান নং-১, অংশে ৪২ শতাংশ এবং একই মৌজার দাগ নং ১২৩৪/১৪০২, অংশে ১৮ শতাংশ সরকারি জমি আছে। যার মালিক বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক। যথাযথ নজরদারির অভাবে উল্লিখিত দুই দাগের মোট ৬০ শতক জমি দিন দিন বেদখল হয়ে যাচ্ছে। সরকারের কাছ থেকে লিজ না নিয়ে বা সরকারি কোষাগারে কোন অর্থ জমা না দিয়েই যার যার মতো করে চলছে এসব দখলদারিত্ব। এলাকাবাসীর দাবি, বেদখল হওয়া সরকারি এ সম্পত্তিগুলো দ্রæত দখলমুক্ত করে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা লিজ দিলে- সরকার পেত রাজস্ব; জনগণ পেত বৈধতা। সরেজমিনে দেখা গেছে, কালাই পৌরসভার আঁওড়া মহল্লায় অবস্থিত ভূমি কার্যালয়ের ওই ৬০ শতক জমিতে নির্মিত দোকানগুলোতে চলছে ব্যবসা । ঘরবাড়ি নির্মাণ করে গড়ে উঠেছে বসতি। মন্দিরে চলছে পূজা। আঁওড়া কালিমন্দিরের সভাপতি শ্রী মানিকচন্দ্র শীলের জানান, জমিদার মনিন্দ্রনাথ তালুকদার চৌধুরী কালিমন্দিরের নামে ৪৪ শতক জমি দান করেছেন। সে মূলে তারা স্বত্ব দখলদার। যার উল্লেখ আছে- এমআরআর এবং সিএস পর্চায়। আঁওড়া মহল্লার বাসিন্দা আব্দুল ওয়াহেদ ফকির, কোরবান আলী, মতিয়র রহমান, তোয়জ উদ্দিন, জফের আলী, শামছুল হকসহ অনেকে জানান, আঁওড়া মৌজার সরকারি এ ৬০ শতক জমি দিন দিন বেদখলে যাচ্ছে। যে যার মতো করে ঘরবাড়ি তৈরী করে বসবাস করছে। দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা নির্মাণ করেছে মন্দির। এক্ষেত্রে কারও কোন বৈধতা না থাকলেও সরকারও এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। তারা এ বিষয়ে এখনি সরকারি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ব্যবসায়ী বুলু মিয়া জানান, এ বাজারের সরকারি সম্পত্তিতে ৫-৬ বছর আগে তার পিতা একটি দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা শুরু করেন। যা তার পিতা বর্তমানে তাকে দিয়েছেন। এখন তিনিই সেখানে ব্যবসা করছেন। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) মো. মিনহাজুল ইসলাম জানান, সরকারি জায়গা কেউ অবৈধভাবে দখল করে থাকলে, খোঁজ খবর নিয়ে আইনের মাধ্যমে তাদের উচ্ছেদ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন জানান, সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখলের সুযোগ নাই। সরকারি সম্পত্তি কেউ অবৈধভাবে দখল করলে, তদন্ত সাপেক্ষে দ্রæত তা দখলমুক্ত করা হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2020 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »