শিরোনামঃ
কওমী মাদরাসা লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি হেফাজতের টাঙ্গাইলে দুই সন্তানের জননী মল্লিকা বেগমের আত্মহত্যা নরসিংদীতে করোনা মোকাবেলায় সংবাদকর্মী রুদ্র এর পক্ষ থেকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ জনকণ্ঠ ভবনের মূল ফটকে তালা, ভবনের সামনের রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন সাংবাদিকরা শার্শায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার খামখেয়ালীপোনায় ২য় ডোজ টিকা নিয়ে বিপাকে ভূক্তভোগীরা বার্সাকে হারিয়ে শীর্ষে রিয়াল চলমান করোনা নিষেধাজ্ঞা ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে মিয়ানমারের বাগো শহরে সামরিক বাহিনীর গুলিতে নিহত ৮০ ছাড়িয়েছে গজারিয়ায় জাটকাবাহী ট্রলার ও জাটকা সহ ৪ জন আটক, কারাদণ্ড করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেননি খালেদা জিয়া
করোনায় নিহত প্রত্যেক বাংলাদেশি পরিবার পাবে ৭

করোনায় নিহত প্রত্যেক বাংলাদেশি পরিবার পাবে ৭ হাজার ডলার


ফটো-সংগৃহীত

আমেরিকা প্রতিনিধিঃ মহামারি করোনায় নিহত বাংলাদেশি প্রত্যেক পরিবার সর্বোচ্চ ৭ হাজার ডলার পাবে। নিউইয়র্কে ৪ শতাধিক বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। সিনেটর চাক শ্যুমার ও কংগ্রেসওম্যান ওকাসিও কর্টেজের ঘোষিত ২৬০ মিলিয়ন ডলারের ‘ফিউনারেল ফান্ড’ থেকে এ অর্থ পাওয়া যাবে।

নিউইয়র্ক স্টেটে করোনায় মোট নিহতের সংখ্যা ৪৪ হাজার ৬ শ’ ৮৩ জন। নিহতদের পরিবারের সদস্যরা এ ফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে আবেদনকারিদের নি¤œ আয়ের ক্যাটাগরিতে পরতে হবে। এ অর্থ দেয়া হবে মৃতদের ফিউনারেল খরচ, ট্রান্সপোর্টেশন কস্ট, কবরস্থানের মূল্য, সৎকার খরচ, জানাজা ও অন্যান্য বিলের বিপরীতে।

গত রোববার নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত সিনেটর ও সিনেট লিডার চাক শ্যুমার এবং কুইন্স থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসওমেন আলেকজান্ড্রিয়া ওকাসিও কর্টেজ এক যৌথ ঘোষণায় এ তথ্য প্রকাশ করেছেন। এ খাতে নিউইয়র্কের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৬০ মিলিয়ন ডলার। তারা বলেন, করোনাকালে নিউইয়র্কের অনেকেই প্রিয়জনদের হারিয়েছেন। মৃতদের সৎকার ও ফিউনারেল খরচ যোগাতে হিমশিম খেয়েছেন। লোনে র্জজরিত হয়েছেন। এখনও অর্থনৈতিকভাবে অসহায়। তারা এ অর্থ পাবেন।

ফিমার ডিজাস্টার ফিউনারেল সহায়তা কর্মসূচির’ ফান্ড থেকে এ অর্থ দেয়া হচ্ছে। ফিমার অনলাইন পোর্টালে অর্থের জন্য আবেদন করতে হবে। তারা একটি কল সেন্টারও খুলছে। আবেদনকারিরা সেখানে কল করে পরামর্শ নিতে পারবেন। চাক শ্যুমার বলেছেন, নিহতদের পরিবার এ আবেদন করতে সিটি, স্টেট ও ফিউনারেল পরিচালকের সাথে যোগাযোগ রাখবেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে তাদের সহায়তার প্রয়োজন হবে।

আবেদনের সাথে অবশ্যই করোনায় মৃত সংক্রান্ত ডেথ সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে। যারা ২০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সময়ের মধ্যে করোনায় মারা গেছেন তাদের পরিবার এ অর্থ পাবেন। ২০২১ সালেও যারা মারা গেছেন তাদের পরিবারের সদস্যদেরও আগামীতে বিবেচনায় আনা হবে। ওকাসিও কর্টেজ বলেছেন, কাগজপত্রহীন (আনডকুমেন্টেড) ইমিগ্র্যান্ট পরিবারও এ অর্থ পাবেন এবং নির্দ্বিধায় আবেদন করতে পারবেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2021 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »