ওয়ারী থানা এলাকায় যুবকের ৫ টুকরো মরদেহ

ওয়ারী থানা এলাকায় যুবকের ৫ টুকরো মরদেহ


ফটো-সংগৃহীত

গর্জন ডেস্কঃ রাজধানীর টিকাটুলি এলাকায় সজীব হাসান (৩৩) নামে এক যুবকের পাঁচ টুকরো মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়ারী থানার কে এম দাস লেনের একটি বাসার চতুর্থ তলা থেকে যুবকের পাঁচ টুকরো মরদেহটি উদ্ধার করেছে ওয়ারী থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শাহনাজ পারভীন (৪৮) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, শাহনাজ তিন দিন ধরে নিখোঁজ জানিয়ে তার স্বামী ওয়ারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ তাকে খুঁজতে গিয়ে ওই যুবকের মরদেহ পায়। এক কক্ষের বাসায় সজীব একাই থাকতেন। হস্তশিল্পের কাজ করতেন তিনি।

তার বাড়ি ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডে। পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, পাঁচ বছর ধরে সজীবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল শাহনাজের। স্বামীবাগের বাসাটি তাকে (শাহনাজ) স্ত্রী দেখিয়েই ভাড়া নিয়েছিলেন সজীব।

পারভীন তার স্বামীর বাসা থেকে তিন দিন আগে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে সজীবের বাসায় ওঠেন। জিডি হওয়ার পর মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে শাহনাজের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সজীবের বাসায় যায় পুলিশ। সেখানে পারভীনকে পাওয়ার পাশাপাশি সজীবের মরদেহ মেলে।

মরদেহের তিন টুকরো ঘরের মেঝেতে এবং দুই টুকরো টয়লেটে পড়েছিল।ইফতেখার ইসলাম বলেন, সজীবের সঙ্গে থাকতে গিয়ে শাহনাজ বুঝতে পারেন, অন্য মেয়েদের সঙ্গেও তার সম্পর্ক রয়েছে। সজীবের মুখ্য উদ্দেশ্য শাহনাজের টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহনাজের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। শাহনাজ বলেন, সজীবের সঙ্গে তার প্রথমে ঝগড়া হয়, তখন সজীব তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। পরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ছুরি শাহনাজের হাতে চলে আসে।

তখন ছুরি মারলে সজীব মারা যান। ইফতেখার ইসলাম বলেন, হত্যার পর রান্নাঘর থেকে বঁটি এনে সজীবের মরদেহ পাঁচ টুকরো করেন শাহনাজ। এ সময় নিজের হাতও কেটে যায় বলে জানিয়েছেন তিনি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার এবং লাইক করুন..
visitor counter
All rights reserved © 2021 দেশের গর্জন | Desher Garjan
Design & Developed BY Subrata Sutradhar
Translate »